কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৪:৪০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
দর্শনার্থীদের জন্য সাধারণ নির্দেশনাবলী
১. গ্যালারিতে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, শিল্পকর্ম ও মূর্তিসমূহ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যিক। মানবদেহের স্পর্শজাত তৈলাক্ত পদার্থ বা আর্দ্রতা অমূল্য এসব নিদর্শনের স্থায়ী বিকৃতি ঘটাতে পারে বিধায় দর্শনার্থীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা কাম্য।
২. বড় সর্দারবাড়িসহ ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণের সকল ঐতিহাসিক ইমারত ও স্থাপনার গায়ে নাম লেখা, খোদাই করা বা অন্য কোনোভাবে শ্রীহীন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
৩. জাদুঘর প্রাঙ্গণকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্লাস্টিক বর্জ্য, পলিথিন, বোতল বা উচ্ছিষ্ট খাবার যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার জন্য অনুরোধ করা হলো।
৪. নির্ধারিত প্রবেশ মূল্য পরিশোধপূর্বক সংগৃহীত টিকিট পরিদর্শনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে। টিকিট বিহীন প্রবেশ বা অবস্থান আইনত নিষিদ্ধ।
৫. বাগান ও চারাগাছ রক্ষার্থে দর্শনার্থীদের সর্বদা হাঁটাচলার জন্য সংরক্ষিত পথ ব্যবহারের অনুরোধ করা হলো।
৬. শান্ত ও গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উচ্চস্বরে আলাপচারিতা, চিৎকার বা যান্ত্রিক বাদ্যযন্ত্র বাজানো থেকে বিরত থাকুন।
৭. ফাউন্ডেশন এলাকা সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত হিসেবে ঘোষিত। প্রাঙ্গণে ধূমপান, নেশাজাতীয় দ্রব্য বা বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ বহন ও ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয়।
৮. গ্যালারির অভ্যন্তরে ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহার করে ছবি তোলা এবং অনুমতি ব্যতীত ব্যক্তিগত/বাণিজ্যিক ভিডিও চিত্র ধারণ বিধিনিষেধের অন্তর্ভুক্ত।
৯. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দায়িত্বরত কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা কর্মীদের সহযোগিতা নিন।
১০. অগ্নিঝুঁকি এড়াতে মোমবাতি, দিয়াশলাই বা কোনো ধরনের আগুনের উৎস ব্যবহার করা যাবে না। জরুরি অবস্থায় জরুরি বহির্গমন পথ ব্যবহার করতে হবে।
১১. ফাউন্ডেশন অভ্যন্তরীণ পরিবেশের সৌন্দর্য্য রক্ষার স্বার্থে বনভোজন (পিকনিক), রান্নাবান্না বা বৃহৎ পরিসরে আহার গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
১২. ফাউন্ডেশন পরিদর্শনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সূচি প্রতিপালন বাধ্যতামূলক। সময় শেষে সকল দর্শনার্থীকে প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার অনুরোধ করা হলো।
ফটোগ্রাফি/ভিডিওগ্রাফি/শ্যুটিংয়ের নিয়মাবলী
১. বাণিজ্যিক, পেশাদার বা ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের ফটোগ্রাফি/ভিডিওগ্রাফি/শ্যুটিংয়ের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নিতে হবে।
২. সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট হারে ফি, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। তবে স্মার্টফোনে ছবি তোলার ক্ষেত্রে সাধারণ পর্যটকদের কোনো ফি প্রদান করতে হবে না।
৩. প্রবেশের সময় ক্যামেরা বা শ্যুটিং ইউনিটের জন্য আলাদা টিকিট ও অনুমতিপত্র সাথে রাখতে হবে এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মীদের প্রয়োজনে দেখাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত শুটিংয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি প্রযোজ্য হবে।
৪. ঐতিহাসিক ভবন বা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কোনো ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ শ্যুটিং চলাকালীন করা যাবে না।
৫. জাদুঘরের পরিবেশ ও দেশীয় সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনো দৃশ্য ধারণ বা অশ্লীল পোশাক ব্যবহার করা যাবে না।
৬. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার স্বার্থে কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি ছাড়া ড্রোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৭. শ্যুটিংয়ের ভারী ট্রলি, স্ট্যান্ড বা লাইটিং ব্যবহারের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৮. শ্যুটিং বা ফটোগ্রাফির সময় সাধারণ দর্শনার্থীদের চলাচলে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৯. শ্যুটিং স্পটে কোনো প্রকার ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না এবং শ্যুটিং চলাকালীন সময় বাগান, গাছপালা বা কারুশিল্পের কোনো উপকরণের ক্ষতি করা যাবে না।
১০. নির্ধারিত স্থানের বাইরে শ্যুটিং করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
১১. ফাউন্ডেশন নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যেই যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করতে হবে।
১২. কর্তৃপক্ষ বিশেষ ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো সংশোধন বা পরিবর্তন করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।