কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০৩:২৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ফাউন্ডেশনের ভিত্তি ও বিকাশের জন্য এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চারটি বড় প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে:
ক্রমিক | প্রকল্পের নাম | সময়কাল | ব্যয় (লক্ষ টাকায়) |
|---|---|---|---|
০১ | সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর ও শিল্পগ্রাম প্রতিষ্ঠা | ১৯৭৭-৭৯ | ৪৯.৩৪ |
০২ | সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর ও শিল্পগ্রাম-ক্ষুদ্রাকার বাংলাদেশ | ১৯৮০-৮৫ | ৬৫.৩৫ |
০৩ | সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর (সংশোধিত) | ১৯৮৭-৯০ | ৪৯৬.৩২ |
০৪ | সোনারগাঁওয়ে কারুশিল্পগ্রাম উন্নয়ন | — | ৮০৪.৫৭ |
উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ফলে ফাউন্ডেশনের সামগ্রিক কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন এসেছে:
ভূমি সম্প্রসারণ: মূল ১৭০ বিঘা সীমানার বাইরে অতিরিক্ত ০৮.০৩ একর জমি সফলভাবে হুকুমদখল করা হয়েছে।
স্থাপত্য ও নিসর্গ পরিকল্পনা: পুরো কমপ্লেক্স জুড়ে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সমতলভূমি ও জলাভূমির বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে আঁকাবাঁকা জলাশয় ও খাল খনন করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশ: নতুন ভূমিবৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পরিকল্পিত গাছপালা রোপণের মাধ্যমে একটি নয়নাভিরাম ও শান্তিময় প্রাকৃতিক দিগন্ত তৈরি করা হয়েছে।
জাদুঘর প্রতিষ্ঠা: প্রাকৃতিক এই আবহের মাঝেই স্থাপন করা হয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল লোককারুশিল্প জাদুঘর।
বর্তমানে সোনারগাঁও জাদুঘরকে একটি বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষে প্রায় ১৬১.১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ভবন সম্প্রসারণ ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্পের কাজ চলছে।
প্রকল্পের মেয়াদ: ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত।
প্রধান লক্ষ্যসমূহ:
ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্পের নিদর্শনের প্রদর্শনী বাড়ানো।
আন্তর্জাতিক মানের দর্শনার্থী সেবা ও আধুনিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
গবেষণা, ডকুমেন্টেশন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।
রাজস্ব আয় ও পর্যটকের সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়ানো।
ভবন ও স্থাপত্য: নতুন জাদুঘর ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ডাকবাংলো (রেস্ট হাউস) এবং ১০০ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ।
সেবা ও বিনোদন: লোকজ রেস্তোরাঁ-কাম-সুভ্যেনির শপ, লোকজ ঘাট এবং মেলার ময়দান উন্নয়ন।
ইউটিলিটি: সাবস্টেশন, জেনারেটর কক্ষ, উন্নত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ৬ ইঞ্চি ডিপ টিউবওয়েল এবং লেক পুনঃখনন ও পাড় সুরক্ষা কাজ।
আধুনিকায়ন: গ্যালারি ডেকোরেশন এবং কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরীণ রাস্তা উন্নয়ন।